Category: উদ্যোক্তা

  • ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসার ১০টি সেরা আইডিয়া

    ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসার ১০টি সেরা আইডিয়া

    আপনি যদি নতুন উদ্যোক্ত হয়ে থাকেন অথবা ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করতে চান তাহলে আজকে আর্টিকেলটি শুধুমাত্র আপনার জন্য। ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে যেগুলোতে আপনার নিশ্চিত সফলতা আসবেই।

    তবে যে কোন ব্যবসাতে হুটহাট টাকা বিনিয়োগ করার পূর্বে অবশ্যই আপনার ব্যবসা সম্পর্কে টুকটাক আইডিয়া রাখতে হবে। বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য কয়েকটি টেকনিক রয়েছে। যেমন: গ্রামের মহিলারা তাদের উৎপাদিত এবং রান্না করা বিভিন্ন খাবার নিয়ে ইতিমধ্যে ই কমার্স ব্যবসা শুরু করে খুবই লাভবান হয়েছেন।

    তবে শহর এবং গ্রামের পরিপ্রেক্ষিতে ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনার নিয়ম কিছুটা ভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে শহর হোক বা গ্রাম, সব জায়গাতেই পণ্য সোর্সিং, পণ্যের প্রাইজিং, প্যাকেজিং পদ্ধতি, এবং ডেলিভেরি প্ল্যাটফর্ম ব্যবসা শুরুর আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখতে হয়। আজকের আর্টিকেলে আমরা ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

     

    ঘরে বসে অনলাইন ক্ষুদ্র ব্যবসা করার নিয়ম

    ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা করার জন্য প্রোডাক্ট সোর্সিং এর ব্যবস্থা করে এবং খরচ নির্ধারণ করে তার ওপর ভিত্তি করে মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। কোন উৎপাদনের পরে যথাযথ প্রোডাক্ট মার্কেটিং না করলে প্রোডাক্ট সেল করা মুশকিল হয়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং বেশ ভালো ভূমিকা পালন করে।

    উৎপাদিত পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ডেলিভারি ম্যান জোগাড় করতে হবে এবং পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া পর্যন্ত ডেলিভারি ম্যান এবং গ্রাহকের সাথে সর্বদা কানেক্টেড থাকতে হবে। ‌ তাছাড়া আপনার আশেপাশে যদি এমন কোন উদ্যোক্তা থাকে যারা ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে উন্নতি লাভ করেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করুন এবং তাদের থেকে কিছু আইডিয়া কালেক্ট করতে পারেন

    ঘরে বসে ক্ষুদ্র ব্যবসা করার ১০ টি আইডিয়া 

    ক্ষুদ্র ব্যবসার আইডিয়া সম্পর্কে মোটামুটি সবাই কম বেশি ধারণা রাখেন। কিন্তু যেকোনো ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য এবং ব্যবসায় সফল হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু ইউনিক ধারণা সম্পর্কে জানতে হবে। বর্তমান সময়ে কম পরিশ্রমে দ্রুত লাভবান হওয়া যায় এমন কিছু ইউনিক ক্ষুদ্র ব্যবসা করার আইডিয়া সম্পর্কে আমরা নিচে আলোচনা করছি।

    ১) অনলাইনের মাধ্যমে ই কমার্স ব্যবসা পরিচালনা 

    আপনি যদি কোন কাজে পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে সেই সেবা বিক্রি করে অনলাইনে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। আবার যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে পাইকারি দোকান থেকে জামাকাপড়, খাবার, অর্গানিক ফুড, গ্যাজেট, কসমেটিক্স, ঔষধ, বাচ্চাদের খেলনা, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের পার্টস ক্রয় করে কিছুটা লাভ রেখে অনলাইনে মাধ্যমে বিক্রি করে লাভবান হতে পারেন।

    এক্ষেত্রে আপনি একটি ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। পণ্যের ছবি তুলে ওয়েবসাইট বা পেজে আপলোড করতে পারেন অথবা আপনি লাইভে গিয়ে আপনার পণ্যগুলো গ্রাহকের সামনে তুলে ধরতে পারেন। গ্রাহকের কাছ থেকে অর্ডার কালেক্ট করে ডেলিভারি ম্যান এর মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পণ্য পাঠানো নিশ্চিত করতে পারেন।

    ০২) নকশি কাঁথা তৈরির ব্যবসা

    গ্রামের অনেক মা বোনেরাই নকশি কাঁথা তৈরিতে দক্ষ হয়ে থাকেন। এবং শহুরে বিলাসী মানুষেরা এই নকশি কাঁথা খুবই পছন্দ করে থাকেন। অনলাইনের মাধ্যমে নকশী কাঁথার বিক্রির ব্যবসা বর্তমানে বেশ জমকালো হয়ে উঠেছে। ক্রেতাদের আগ্রহের ভিত্তিতে এবং তাদের মতামত অনুযায়ী ডিজাইন তৈরি করে অনলাইনের মাধ্যমে নকশি কাঁথা বিক্রি করতে পারেন। অনলাইনের মাধ্যমে নকশি কাঁথা বিক্রির ব্যবস্থা না থাকলে যে কোন পাইকারি দোকানে আপনি তৈরি করা নকশি কাঁথা বিক্রি করে অর্থ ইনকাম করতে পারেন।

    ০৩) বাচ্চাদের খেলনা তৈরীর ক্ষুদ্র ব্যবসা 

    বাচ্চাদের বিভিন্ন খেলা যেমন মাটির হাড়ি পাতিল, ছোট ছোট কাপড়ের পুতুল, বা আকর্ষণীয় কোন খেলনা তৈরীর অভ্যাস যদি আপনার থেকে থাকে তাহলে এই আইডিয়াকে পুঁজি করে আপনি ঘরে বসে বাচ্চাদের খেলনা তৈরির ক্ষুদ্র ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। বাচ্চাদের খেলনা তৈরির বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল পাইকারি দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।

    সেখান থেকে কম খরচে ম্যাটারিয়াল গুলো কালেক্ট করে ঘরে বসে তা দিয়ে খেলা বানিয়ে পরবর্তীতে ই-কমার্স ব্যবসার মাধ্যমে ঘরে বসে আপনার তৈরি করা খেলনা গুলো গ্রাহকের নিকট পৌঁছে দিতে পারেন। এতে খুব কম খরচে বেশ ভালো অংকের নগদ অর্থ মাসে ইনকাম করা সম্ভব। খেলনা তৈরীর দক্ষতার উপর ভিত্তি করে আপনি মাসে ১৫ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা অনায়াসে ইনকাম করতে পারবেন।

    ০৪) ঘরে বসে বিস্কুট, চানাচুর তৈরির ক্ষুদ্র ব্যবসা

    যেসব মা বোনেরা ঘরে বসে অলস সময় কাটান তারা ইচ্ছা করলেই বিস্কুট, চানাচুর, কেক তৈরীর ক্ষুদ্র প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর ফেসবুকে একটি পেজ খুলে আপনার তৈরি করা স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করে তুলতে পারেন।

    এরপর গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী এবং আগ্রহের উপর ভিত্তি করে আপনি ঘরে বসে বিস্কুট, চানাচুর, বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুডের অর্ডার গ্রহণ করতে পারেন এবং সে অনুযায়ী গ্রাহকের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে অর্থ ইনকাম করতে পারেন।

    ০৫) বিভিন্ন ধরনের আচার তৈরির ব্যবসা

    শহুরে মানুষের ব্যস্ত জীবনে আচার তৈরি করা যেন একটা অসাধ্য ব্যাপার। তাইতো তারা অনলাইন থেকে এবং বিভিন্ন নামিদামি ব্রান্ডের থেকে আচার কিনে ঘরে সংরক্ষণ করেন। আপনি যদি আচার বানাতে পারদর্শী হয়ে থাকেন তাহলে বিভিন্ন ধরনের আচার মৌসুমভিত্তিক ঘরে তৈরি করে পাইকারি দোকানে তা বিক্রি করতে পারেন। এবং আপনি যদি অনলাইনে একটি পেজ খুলে সেখানে আচার বিক্রি করতে পারেন তাহলে বেশি লাভবান হবেন বলে আমরা আশা করি।

    ০৬) হস্তশিল্প নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা

    কারুপণ্য দক্ষতা বা একটু ভিন্ন ধরনের আইডিয়া নিয়ে যদি হস্তশিল্প তৈরি করে অনলাইনে সেল করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত অধিক অর্থ লাভের সুযোগ থাকে। এ ব্যবসায়ের সবথেকে ভালো দিক হলো এখানে পুঁজির পরিমাণ খুবই কম প্রয়োজন হয়। প্রথমে এই সেক্টরে কাজ করার জন্য খুব বেশি পারদর্শী হওয়ার প্রয়োজন হয় না।

    বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যেহেতু হস্তশিল্প নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা করার আইডিয়া দেওয়া হয় সেখান থেকে আপনি কিছুটা প্রশিক্ষণ নিয়ে পরে কাজ করতে করতে আরো বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। ই কমার্স বা অনলাইনের মাধ্যমে হস্তশিল্প নিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

    ০৭) ভিডিও তৈরি করে ইনকাম

    আপনি ঘরে বসে প্রতিদিন কি করছেন, কিভাবে জীবন ধারণ করছেন তার কিছু শর্ট ভিডিও ক্যাপচার করে ফেসবুকে পেজ খুলে সেখানে আপলোড করতে পারেন আবার চাইলে ইউটিউবে চ্যানেল খুলে সেখানে আপলোড করতে পারেন। কিছুদিন ভিডিও আপলোড করার পরেই ভিডিওতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনি একটি নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট এর অর্থ প্রত্যেক মাসে ইনকাম করতে পারেন।

    আপনার ফলোয়ার এর উপর ভিত্তি করে মাসে ২০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা ইনকাম করা সম্ভব। আবার চাইলে ওয়েবসাইট খুলে সেখানে ব্লগিং এর মাধ্যমেও টাকা ইনকাম করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপিং সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান থাকতে হয়।

    ০৮) ঐতিহ্যবাহী খাবারের হোম ডেলিভারি ব্যবসা

    গ্রাম হোক বা শহর, ঐতিহ্যবাহী খাবারের চাহিদা যেন দিন দিন আরো বেড়ে চলেছে। বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন: নানা ধরনের পিঠাপুলি, নাড়ু, মোয়া, শুটকি, মাসকলাই ডালের বড়ি, ঘি, মাখন, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ইত্যাদি খাবারের চাহিদা কোন অংশ কমেনি বরং দিন দিন আরো বেড়েছে। আপনি যদি এসব খাবারগুলো বাসায় বসে তৈরি করে গ্রাহকদের আপনার তৈরিকৃত খাবার সম্পর্কে ধারণা দিয়ে হোম ডেলিভারি করতে পারেন তাহলে খুব দ্রুত লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইতোমধ্যে অনেক নারীরা খাবারের হোম ডেলিভারির ব্যবসা করে সফলতা অর্জন করেছেন। এ ব্যবসায়ের খরচের চেয়ে লাভের পরিমাণ তিন গুণ হয়ে থাকে।

    ০৯) অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের ব্যবসা

    কোন বিষয় সম্পর্কে যদি আপনার নির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত ধারণা থাকে তাহলে আপনার ফেসবুক পেজ বা আইডির মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের কে তা জানান। বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সৃজনশীলতা কে কাজে লাগিয়ে আপনি অল্প সময়ে বেশ কিছু মানুষ জোগাড় করতে পারবেন যারা আপনার স্কিল সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। তাদের কাছে নির্দিষ্ট কিছু টাকার বিনিময়ে অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন। এভাবে বিভিন্ন ধাপে ধাপে ব্যাচ হিসেবে আপনি অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্সের ব্যবস্থা করতে পারেন। আপনার প্রদত্ত প্রশিক্ষণ যদি আপনার বন্ধুদের ভালো লেগে থাকে তাহলে আপনার কোর্সের আকার দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

     

    ১০) ঘরে বসে ছোট পরিসরে পার্লারের ব্যবসা

    ঘরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে একটি ছোট পার্লার খোলার মাধ্যমে আপনি অর্থ ইনকাম করতে পারেন। তবে এটি শুধুমাত্র গ্রামের মহিলাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যেহেতু গ্রামে পার্লার অনেকটা দূরত্বে অবস্থিত হয় তাই এক্ষেত্রে গ্রামের নারীরা কাছাকাছি পার্লারের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।

    আপনার কাছে সামান্য পুঁজি থাকলে তা দিয়ে পার্লারের কিছু সরঞ্জাম ক্রয় করে ঘরের ভেতর ছোট একটি পার্লার খুলতে পারেন। এতে করে অবসর সময় কাটানোর পাশাপাশি মাসিক ১০০০০ থেকে ২০ হাজার টাকা অনায়াসে ইনকাম করা সম্ভব। তবে এক্ষেত্রে আপনার আগে থেকেই বিউটি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা জরুরী।

  • নতুন উদ্যোক্তাদের অল্পপুঁজিতে ১৫টি সেরা ব্যবসা

    নতুন উদ্যোক্তাদের অল্পপুঁজিতে ১৫টি সেরা ব্যবসা

    সেরা ১৫টি ছোট ব্যবসার আইডিয়া

    ১. ফ্রিল্যান্স কন্টেন্ট রাইটিং: লেখালেখি করতে ভালো লাগলে এটা আপনার জন্য একটা চমৎকার small business idea। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের ওয়েবসাইট, ব্লগ আর সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য নিয়মিত কন্টেন্ট খোঁজে। Fiverr বা Upwork-এ অ্যাকাউন্ট খুলে শুরু করে দিন। বিনিয়োগ শূন্য, আয়ের সম্ভাবনা অনেক।

    ২. সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ছোট দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকরা জানেন Facebook-Instagram চালানো দরকার, কিন্তু সময় বা দক্ষতা নেই। এই গ্যাপটাই আপনার সুযোগ। প্রতি মাসে ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকায় তাদের পেজ ম্যানেজ করুন। এটা এখনকার সবচেয়ে লাভজনক small business ideas-এর একটি।

    ৩. অনলাইন টিউটরিং: গণিত, বিজ্ঞান বা ইংরেজিতে ভালো হলে অনলাইনে টিউশনি করুন। SSC বা HSC পরীক্ষার্থীদের জন্য চাহিদা সারা বছর থাকে। Zoom বা Google Meet-এ ক্লাস নিন। কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই শুরু করা যায় এমন easy small business ideas-এর মধ্যে এটা অন্যতম সেরা।

    ৪. হাতে তৈরি পণ্যের ব্যবসা: মোমবাতি, সাবান, গহনা, হ্যান্ডব্যাগ। নিজের হাতে তৈরি জিনিস বিক্রি করুন Facebook Marketplace বা স্থানীয় গ্রুপে। বাড়িতে থেকে করা যায় এমন profitable small business ideas-এর মধ্যে হাতে তৈরি পণ্য বিক্রি অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

    ৫. ড্রপশিপিং: নিজে কোনো পণ্য না কিনেই অনলাইনে বিক্রি করুন। আপনি অর্ডার নেন, সাপ্লায়ার পাঠিয়ে দেয়। গোডাউন বা স্টক রাখার কোনো ঝামেলা নেই। এটা এমন একটা easy small business idea যেটায় রিস্ক সবচেয়ে কম।

     

    ৬. ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট: ব্যস্ত উদ্যোক্তাদের ইমেইল দেখা, অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা, ডেটা এন্ট্রির মতো কাজ করে দিন। ঘরে বসে করা যায়, সময় নিজের মতো ঠিক করা যায়। এটা খুবই নমনীয় একটি small business idea।

    ৭. গ্রাফিক ডিজাইন: Canva বা Adobe Illustrator জানলে ব্যানার, লোগো, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ডিজাইন করে ভালো আয় করা যায়। এটি এমন একটি small business idea যেটায় দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে আয়ও বাড়ে।

    ৮. ইউটিউব চ্যানেল বা পডকাস্ট: আপনার পছন্দের বিষয়ে ভিডিও বানান বা পডকাস্ট করুন। বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ, আর অ্যাফিলিয়েট থেকে আয় হয়। সময় লাগে, কিন্তু একবার দাঁড়িয়ে গেলে প্যাসিভ ইনকামের অন্যতম সেরা উৎস।

    ৯. ঘরে তৈরি খাবারের ব্যবসা: কেক, মিষ্টি, আচার, বা টিফিন সার্ভিস। রান্না করতে পছন্দ করলে এটা সবচেয়ে মজাদার small business ideas-এর একটি। খরচ কম, চাহিদা সারা বছর।

    ১০. ফটোগ্রাফি সার্ভিস: বিয়ে, জন্মদিন, কর্পোরেট ইভেন্ট। ভালো ক্যামেরা আর একটু দক্ষতা থাকলে ফটোগ্রাফি হতে পারে দারুণ লাভজনক small business idea। বাংলাদেশে বিয়ের মৌসুমে এই ব্যবসায় আয় অনেক বেশি।

    ১১. মোবাইল ফোন মেরামত: স্ক্রিন ভাঙা বা ব্যাটারি সমস্যা প্রায় সবারই হয়। মেরামতের কৌশল শিখে ছোট একটা সার্ভিস পয়েন্ট খুলুন। চাহিদা সারা বছর, প্রতিযোগিতা তুলনামূলক কম।

    ১২. ইভেন্ট প্ল্যানিং: মানুষ তাদের বিশেষ মুহূর্তগুলো পারফেক্ট করতে চায়। কিন্তু পরিকল্পনা করার সময় নেই। আপনার সংগঠন দক্ষতাকে একটি লাভজনক small business idea-তে পরিণত করুন।আইডিয়া

    ১৩. পুনরায় বিক্রির ব্যবসা (রিসেলিং): পাইকারি বাজার থেকে কম দামে কিনুন, Facebook Marketplace বা Daraz-এ বিক্রি করুন। কম পুঁজিতে শুরু করার জন্য সবচেয়ে সহজ small business ideas-এর একটি।

    ১৪. অনলাইন কোর্স বিক্রি: আপনার কাছে যে দক্ষতা আছে সেটাকে একটা কোর্সে রূপ দিন। একবার বানালে বারবার বিক্রি হয়। এটি এমন একটি small business idea যেটায় প্যাসিভ ইনকামের সুযোগ সবচেয়ে বেশি।

    ১৫. পরিষ্কার বা গোছানোর সার্ভিস: ব্যস্ত পরিবার বা অফিসের জন্য ক্লিনিং বা হোম অর্গানাইজিং সার্ভিস দিন। শুনতে সাধারণ মনে হলেও এটি একটি অত্যন্ত profitable small business idea যেখানে বিনিয়োগ প্রায় নেই।

    কীভাবে বুঝবেন কোন আইডিয়া আপনার জন্য সঠিক?

    নিজেকে তিনটা প্রশ্ন করুন। আমি কী ভালো করি? কী করতে আনন্দ পাই? কোন কাজের জন্য মানুষ টাকা দিতে রাজি? এই তিনটার উত্তর যেখানে মেলে, সেটাই আপনার সেরা small business idea। বেশি ভাবতে গিয়ে শুরু করতে দেরি করবেন না। একটা আইডিয়া বেছে নিন, দুই সপ্তাহ রিসার্চ করুন, তারপর একটা কংক্রিট পদক্ষেপ নিন।